Home উপজেলার খবর তানোরে খানকায়ে ওয়ারেছীয়া দরবার শরীফ নিয়ে চক্রান্ত

তানোরে খানকায়ে ওয়ারেছীয়া দরবার শরীফ নিয়ে চক্রান্ত

তানোর প্রতিনিধি : তানোরে খানকায়ে ওয়ারেছীয়া দরবার শরীফ নিয়ে চক্রান্ত শুরু করেছেন তার ডিভোর্স দেয়া স্ত্রী কুমকুম বেগম। তিনি গ্রামবাসী সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের কাছে বিভ্রান্তীকর কথা বলে উস্কে দিচ্ছেন। এঘটনায় এলাকাবাসী সহ খানকায়ে শরীফের ভক্তদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংখ্যা করছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী ও খানকায়ের পীর ইয়াছিন আলী ওয়ারেছী’র সাথে কথা বলে জানা গেছে, তানোর শীতলী পাড়ার নিজ বাড়িতে ২০১২ সালে খানকা দরকার শরীফ স্থাপন করে ভক্তদের নিয়ে জিকির আজগারসহ ইলমে তাসাউফ ও অলি আউলিয়া গনের জীবনী বর্ননাসহ ধর্মীয় আলোচনা করে আসছেন।
অবাদ্ধ স্ত্রী কুমকুম বেগমকে সাড়ে ৩মাস আগে ধর্মীয় শরিয়া মোতাবেক ডিভোর্স দিয়ে পুরনায় বিয়ে করে সংসার শুরু করেছেন পীর ইয়াছিন আলী ওয়ারেছী। ডিভোর্সের পর পীরের স্ত্রী কুমকুম তার মেয়েসহ সমস্থ্য পাওনা বুঝে নিয়ে দেশের বাড়ি সিরাজগঞ্জ চলে যায়।
গত ১৬ই অক্টোবর পীর ইয়াছিন আলী ওয়ারেছী আবারো বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। খবর পেয়ে গত ৬ই নভেম্বর ডির্ভোস দেয়া স্ত্রী কুমকুম শিতলী পাড়ার কাউসার আলীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে পীর ইয়াছিন আলী ও খানকায়ে দরবার শরীফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কু-রুচীকর ও মিথ্যে বানোয়াট কল্পকাহীনি শুনিয়ে গ্রামবাসীকে উস্কে দেয়।
ফলে ৭ই নভেম্বর সকালে গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে খানকায়ে দরবার শরীফে হামলা চালায় এবং খাদেমসহ সেখানে উপস্থিত ভক্তদের মারধর করে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে ৯৯৯ ফোন দিলে তানোর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
এব্যাপারে পীরের ডিভোর্স হওয়া স্ত্রী কুমকুম বলেন, আমার জায়গায় খানকায়ে দরবার শরীফ স্থাপন করা হয়েছে। আমি আমার জায়গা পেতে চাই।
এব্যাপারে পীর ইয়াছিন আলী ওয়ারেছী বলেন, আমি একজন পীর মানুষ, ধর্মকর্ম নিয়ে থাকি, কিন্তু আমার স্ত্রী আমার কোন কথা শুনেন না, ইচ্ছেমত হাটবাজারে চলাফেরা করেন। তাই অবাদ্ধ স্ত্রীকে শরিয়া মোতাবে তার দেয়া পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে ডিভোর্স দিয়েছি। ডিভোর্স দেয়ার পর আমি আবারো বিয়ে করে সংসার শুরু করার পর এলাকায় এসে গ্রামবাসীকে উস্কে দিচ্ছেন যার কোন ভিত্তি নেই।