Home উপজেলার খবর পত্নীতলায় দিঘী  লিজ নিয়ে বিপাকে ইউপি সদস্য নেপথ্যে চেয়ারম্যান

পত্নীতলায় দিঘী  লিজ নিয়ে বিপাকে ইউপি সদস্য নেপথ্যে চেয়ারম্যান

হাফিজুল হক,সাপাহার (নওগাঁ)প্রতিনিধি : নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার একটি দিঘী ও পুকুর লিজ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মিজানুর রহমান চৌধুরী নামে সাপাহার উপজেলার সদর ইউপি সদস্য। এঘটনার নেপথ্যে রয়েছে পত্নীতলা উপজেলাধীন নির্মইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।
ভোক্তভোগি সাপাহার উপজেলাধীন সাপাহার চৌধুরী পাড়া গ্রামের মৃত জিল্লুর রহমানের ছেলে ও সাপাহার সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, গত ২০২০ সালের ৫ মে পত্নীতলা উপজেলাধীন নির্মইল ইউপি অধীনস্থ্য ফোকন্দা মৌজার ৩ নং খতিয়ান ভুক্ত ৪০ ও ৩৮৬ দাগে ৮.৮০ একর জলা পরিমানের একটি দিঘী এবং ৭৭০ দাগে ১.৩০ একর জলা পরিমানের একটি পুকুর সিএস, এসএ, আরএস নামীও রেকর্ড প্রস্তুতকৃত এবং বিজ্ঞ জেলা জর্জ আদালতের ৩৪/১৯ অবসর প্রাপ্ত মোর্কদ্দমার রায় ও ডিগ্রি সুত্রে প্রাপ্ত মালিকগনের নিকট হতে মাছ চাষের উদ্দেশ্যে ৩ বছরের জন্য লিজ গ্রহন করে। লিজ গ্রহনের পর হতে অদ্যবধি পর্যন্ত প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ওই দিঘী ও পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছে। যা শুরু থেকে শান্তি পূর্ণ ভাবে মাছ চাষ, সময় মত মাছগুলোকে খাবার দেওয়া এবং সার্বক্ষণিক দেখভালের জন্য পাহারাদার হিসেবে সাদেকুল ইসলাম নামে একজন নিযুক্ত আছে।
হঠাৎ করেই গত ১০ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে নির্মইল ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ১২/১৩ জনের দলবল নিয়ে দিঘী ও পুকুর পাহারাদার সাদেকুল ইসলাম কে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলে, তোমরা আর দিঘী ও পুকুরে পাহারা বা খাবার দিওনা এবং পানিতেও নামা নিষেধ। আমরা দিঘী ও পুকুরের রায় পেয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে চেয়ারম্যান আজাদ বলে বেড়াচ্ছে যে, দিঘী ও পুকুর থেকে খুব তাড়াতাড়ি সমস্ত মাছ মারা হবে।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, দিঘিতে নামতে নিষেধ এবং মাছ মারতে নিষেধ করা হয়েছে। কোন হুমকী প্রদান করা হয়নি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরাও আদালতের রায় পেয়েছি। তাৎক্ষনিক সাংবাদিকরা রায়ের কপিটা দেখতে চান।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাংবাদিকদের কোন রায়ের কপি দেখান নি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ