Home উপজেলার খবর তানোরে ইমরুলকে নৌকার প্রার্থী না করার দাবি পৌর বাসীসহ ভোটারদের  

তানোরে ইমরুলকে নৌকার প্রার্থী না করার দাবি পৌর বাসীসহ ভোটারদের  

সাইদ সাজু তানোর থেকে : গত নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই দলীয় নেতা, কর্মী, সমর্থকসহ মাঠে না থাকায় জন বিচ্ছিন্ন  হয়ে পড়া তানোর পৌর আ’ লীগ সভাপতি ইমরুল হককে তানোর পৌর সভায় নৌকার দলীয় মনোনয়ন না দেয়ার দাবি তুলেছেন ভোটারসহ দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থকরা।
সেই সাথে একের পর এক বিভিন্ন কর্মকান্ডে বিতর্কের সৃষ্টিকারী ইমরুল হক স্থানীয় সংসদ সদস্যে’র বিরোধীতা করে জাতীয় ও দলীয় কর্মসুচী পালন করেন নি।
ফলে দীর্ঘদিন থেকে দলীয় সভাপতির পদ ব্যবহার করে নেতা কর্মিদের থেকে দুরে থাকায় ভোটারসহ নেতা কর্মিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভোটারসহ নেতা কর্মীরা বলছেন,  রাজনীতির মাঠসহ ভোটারদের সাথে  কোন রকম যোগাযোগ না রেখেই মেয়র প্রার্খী হওয়ার জন্য ঢাকায় গিয়ে দলীয় মনোনয়ন তুলে জমা দেয়ার খবরে নেতা কর্মিসহ সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় চলছে ইমরুলকে নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা।
এলাকাবাসী, দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থকদের সাথে কথা বলে  জানা গেছে, আসন্ন তানোর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তথা নৌকা মার্কা চেয়ে তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল দলের কাছে আবেদন করেছেন, কিন্তু বিগত কয়েক বছর থেকে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তিনি ছিলেন না। উল্টো তানোর উপজেলা নির্বাচনে নিজের ভাইকে প্রার্থী করে ও হাতুড়ির সাথে মিল রেখে নৌকাকে ফুটো করার চেষ্টা করেছেন তিনি।
জনপ্রিয়তা বিহীন নেতা ইমরুল নৌকা প্রতীক চাওয়ার পর থেকেই তানোর পৌর আওয়ামী লীগ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছিল।
এবার আওয়ামী লীগ সংগঠন ভুল করে ইমরুলকে নৌকা প্রতিক যদি দিয়েদেয়। তাহলে নির্ঘাত নৌকার পরাজয় হবে তানোর পৌরসভাতে বলে অভিমত যাপন করেছেন তানোর পৌর আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ইমরুলের ব্যর্থতা ও আওয়ামী লীগের সাথে বেইমানির বিশেষ বর্ণনা : ২০১১ ইং সালে তানোর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ছিলেন তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ,কিন্তু আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত তথা শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত না মেনে তানোর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিপক্ষে গিয়ে নির্বাচন করে ছিলেন এই ইমরুল… ফলে আওয়ামী লীগের পরাজয় হয়।
আর এই পরাজয়ের একমাএ দোষী ছিলেন ইমরুল।
২০১৬ ইং সালে তানোর পৌরসভা নির্বাচনে ইমরুল কে আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতিক দেওয়া হয়।
কিন্তু পৌরসভার নির্বাচনে বি এনপির দুই জন প্রার্থী থাকার পরেও ইমরুল জয়ী হতে পারেন নি।
যে গত ৫ বছর আগে নৌকা নিয়ে জয়ী হতে পারেন নি। সে আবার নৌকা প্রতিক চাই কোন মুখে প্রশ্ন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের।
গত তানোর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে
তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকা সত্ত্বেও তিনি নৌকার বিপক্ষে গিয়ে ওয়াকার্স পার্টির হাতুড়ির সাথে হাত মিলিয়ে নৌকাকে ফুটো করার চেষ্টা করেছেন নিজের ভাইকে তানোর উপজেলায় প্রার্থী করে নৌকাকে ফুটো করার অস্ত্র তৈরি করেছিলেন ইমরুল।
 আগে থেকেই ইমরুল বিএন পির নেতাদের সাথে আঁতাত ছিল।
গত তানোর পৌর নির্বাচনে পরাজয় হওয়ার পর থেকেই ইমরুল রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বাইরে আছেন এতে করে তানোর পৌর আওয়ামী লীগ সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখেননি। এবং রাজনৈতিক মিটিং মিছিলে দেখা যায়নি ইমরুল কে।
পরিশেষে তানোর পৌর আওয়ামীলীগ সহ সংগঠনের নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগ সংগঠনের হাই কমান্ডারের কাছে দাবি এ ধরনের বেইমানকে নৌকা প্রতীক তো দূরের কথা উল্টো আওয়ামী লীগ সংগঠন থেকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হোক বলে অভিমত যাপন করেছেন তানোর পৌর আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।