আব্দুল খালেক, সম্পাদক: জিখবর
রাজশাহী-১ গোদাগাড়ী-তানোর এর সাংসদ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান সরকারি কাজ-কর্ম সারলেন জামে মসজিদে বসে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অত্যন্ত ধার্মিক একজন মানুষ।
ধর্ম-কর্মের দিক দিয়ে অন্যান্য দশ জন নেতার তুলনায় অনেক উপরে। নামাযের সময় হলে তিনি নিকটস্থ মসজিদে ছুটে যান। যেখানে তিনি নামায পড়েন সেখানেই ইমাম সাহেব এমপি সাহেবকে নামাযের ইমামতি করতে দেন। নামায শেষে তিনি মুসল্লীদের উদ্যেশে দাঁড়িয়ে ইসলামী নসিহত করেন। ন্যায়-ইনসাফ ও ঈমান মজবুত করার কথা বলেন। হকের উপর অটল থাকার কথা বলেন।
সোমবার ২ মার্চ জোহরের নামাযের সময় হলে তিনি ডাইংপাড়া আহলে হাদীস জামে মসজিদে নামায পড়ান ও মুসল্লীদের উদ্যেশে নামাযের নসিহত করেন। নামায শেষে মুসল্লীদের সাথে মুসাফাহ করেন ও খোঁজ খবর নেন।
এর পর মসজিদের আসেন উপজেলা প্রকৌশলী সাদরুল ইসলাম। তার কিছুক্ষণ পরে আসেন গোদাগাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ও অন্যান্য অফিসারগণ। মসজিদে বসেই তিনি অফিসিয়াল সব কাজ করলেন। বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর করলেন।
মুসল্লীদের বলতে শুনা যায় এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ১৪শ বছর আগের শাসন হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) এর জামানায় ফিরে গিয়ে মসজিদে সরকারি কাজ কর্ম করছেন। এ যেন সাহাবায়ে কেরামের এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন তিনি।
মসজিদে বসে অফিসের কার্য সম্পাদন করায় তিনি প্রশংসায় ভাসছেন।

















