জিখবর ডেস্ক:
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ডাইংপাড়া চত্তরের পাশে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় গোল চত্তরের চতুর্পাশের সরকারি জায়গাগুলো অবৈধভাবে অনেকেই দখল করে রেখেছে। রাজশাহী বাস স্টান্ড থেকে শুরু করে ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত, বিদ্যুৎ অফিস থেকে রেজিষ্ট্রি অফিস পর্যন্ত, রোড্স এন্ড হাইওয়ের জায়গা অবৈধভাবে অনেকেই দখল করে রেখেছে। জায়গা গুলো চায়না কম্পানী তাদের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার সময় দখলদারগণ দোকানঘরগুলো নিজ উদ্যোগে ভেঙ্গে নেয়। চায়না প্রোজেক্টের পাইপ লাইনের কাজ শেষ হতে না হতেই পুন:রায় দখলদারগণ নতুনভাবে ইট দিয়ে পাকা করে দোকানঘর নির্মাণ শুরু করেছে।
দোকানঘর গুলো ভাঙ্গার ফলে পথচারীরা অবাধে, নির্বিঘ্নে যাতায়াত করছিল, গাড়ী পার্কিং করতেও হচ্ছিল নানান সুবিধা। কিন্তু পুন:রায় দোকান ঘর নির্মাণের কারনে যাত্রী, পথচারী ও গাড়ী পার্কিং এর সমস্যা পূর্বের মতই রয়ে গেল বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
রাজশাহী বাসষ্ট্যান্ড এর স্থানে একটি যাত্রী ছাউনি তৈরি করার কথা থাকলেও কেন হচ্ছেনা তা জানেনা কেউ।
নেসকো অফিস থেকে রেজি: অফিস পর্যন্ত বিভিন্ন পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। সাধারণ জনগণ বলছেন এতে মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। এসব জায়গা যদি অবমুক্ত করা হয় তাহলে সেগুলোতে অটো, রিক্সা, নশিমন, করিমণ নির্বিঘ্নে পার্কিং করতে পারবে। এর ফলে হাইওয়ে রোড থাকবে নিরাপদ এবং যাত্রী হয়রানীমুক্ত।
এছাড়াও জায়গাটিতে যদি দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান, যাত্রী ছাউনি, পুলিশ বক্স ইত্যদি করা হয় তাহলে সকলের জন্য সুবিধা হয়। সেই সাথে গোদাগাড়ী সদরের ভাবমুর্তি বৃদ্ধি হবে বলে মত প্রকাশ করেন এলাকার সুধি সমাজ।
এ প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুস সাদাত রত্ন এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন “অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই মোড়টি অবৈধ দখলমুক্ত থাকা খুবই জরুরী। অবৈধ দখলের কারনে সড়ক দুর্ঘটনা ছাড়াও অন্যান্য সমস্যা তৈরি হচ্ছে। স্থায়ী বা অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করার পূর্বে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন। এরকম কোন অনুমতি আছে কি না আমার জানা নেই। অবৈধ দখলের এরকম অনেক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করেছি। এ বিষয়ে তারাই ব্যবস্থা নিবে।”
















