স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় দায়ের করা মামলা বিবরণীতে জানা গেছে, ধ’র্ষ’ণে’র শিকার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমানের কাছে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে প্রাইভেট পড়ত। প্রাইভেট পড়ার সময় সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান পৌর এলাকার শাহীবাগ এলাকায় নিজ বসতবাড়ির একটি কক্ষে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। ল’জ্জা ও ভয়ে শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের কাছে গোপন রাখে। পরবর্তীতে মিজানুর রহমান শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়ে বলেন, তুমি যদি আমার কথা না শোনো তাহলে পূর্বের সব ঘটনা তোমার বান্ধবীদের কাছে বলে দেব এবং বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোমাকে প্রাণে শেষ করে ফেলব।
সর্বশেষ গত ১জুন বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শাহীবাগে আসা’মির নিজ বাড়িতে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে আবারও ধ’র্ষ’ণ করেন। ফল শিক্ষার্থী শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে ২জুন রাতে পরিবারের সদস্যরা তার মন কারণ জানতে চা’ইলে সে কান্নাকাটি করে ঘটনা খুলে বলে। মেয়ের কথা শুনে ৩ জুন ২০২৬ (বুধবার) বিকেলে ভু’ক্ত’ভো’গী’র পরিবার এলাকাবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ধর্ষক মিজানুর রহমানের বসতবাড়িতে যায় এবং ঘটনার বিষয়ে জানতে চায়।

আসামি সঠিক উত্তর না দিয়ে ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের উপ’র ক্ষিপ্ত হয়ে মারমুখী আচরণ করলে উপস্থিত জনতা তাকে মারধর করে আটক করে। পরে ব ৯৯৯-এ ফোন করা হলে নবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ মিজানুরকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।