জিখবর ডেস্ক:
গোদাগাড়ী ভবন নির্মাণ করে ব্রিজ বন্ধ হওয়ায় জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জনগণ। পৌরসভার ফাজিলপুর গ্রামের সাব রেজিষ্ট্রি অফিস সংলগ্ন হাইওয়ে ওভারপাস বন্ধ হওয়ায় এ জলাবন্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষক, ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রেজিষ্ট্রি অফিস সংলগ্ন নীচে বিশাল এলাকাজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে আছে। এসব পানি বর্তমান ব্রাক ব্যাংক বিল্ডিং এর পাশে অবস্থিত ব্রিজ দিয়ে উপজেলার ভিতর দিয়ে থানা রোড হয়ে পদ্মা নদীতে চলে যায়। কিন্তু ব্রিজের পাশে পাশাপাশি দুইটি বিল্ডিং নির্মিত হওয়ায় ব্রিজের নিচে মাটি পড়ে তা বন্ধ হয়ে যায়।
ব্রিজের পার্শবর্তী দোকানমালিকগণ বলেন মাটি ছাড়াও এলাকার কয়েকটি ক্লিনিকের বর্জ্য এখানে নিয়মিত ফেলা হচ্ছে, মাটি দিয়ে ভরাট করার ফলে একদিকে যেমন পানি নিষ্কাষন বন্ধ রয়েছে তেমনি ক্লিনিকের দুষিত বর্জ্যরে কারণে এলাকা দুষিত হচ্ছে। গন্ধে পথচারীদের যাতায়াতকালে নাকে হাত দিতে হাটতে হচ্ছে। ব্রিজের পাশে থাকা এক হোটেল মালিক প্রতিবেদককে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করান, সেখানে গিয়ে দেখা যায় ব্রিজটির পাশে ৩টি হোটেল রয়েছে। সেখানে দুর্গন্ধে মানুষ খাওয়া-দাওয়া করতে পারে না।
ব্রিজটির নিচের মাটি সরিয়ে পাশে থাকা বিল্ডিং এর সাইড দিয়ে পাইপের মাধ্যমে হলেও পানি নিষ্কাষন করা এখন জরুরী হয়ে পড়েছে বলে জানান ফাজিলপুরের স্থানীয় জনগণ। যদি ব্রিজটি সচল করা না হয় তাহলে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণে ফাজিলপুর গ্রামের নিম্নাঞ্চলের বাড়ীঘর ও ধান ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এখানকার কৃষকরা ধান রোপন করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন জাজি তবে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজটি যাতে অবমুক্ত করা হয় তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উর্ধতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোদাগাড়ী পৌর প্রশাসক জনাব ইসরাত জাহানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন কালভার্টটি মুলত রোডস এন্ড হাইওয়ের, তাদেরকে জানানো হবে, তারা যদি আমাদের সহযোগিতা চায় তাহলে সহযোগিতা করা হবে। তবে সেখানকার লোকজন অফিসে একটি অভিযোগ দিয়েছে সেটি দেখে শুনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ব্রিজ বন্ধ করে যদি অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া যায় তাহলে প্রশাসক হিসেবে প্রয়োজনে সেটিও করার আশ্বাস প্রদান করেন।







